কীভাবে কাজ করে

প্রতিটা প্রশ্ন একটা ছোট যাত্রা

  1. ১

    প্রশ্ন আসে

    তোমার দক্ষতা অনুযায়ী ঠিক মাপের প্রশ্ন — খুব সহজও না, খুব কঠিনও না।

  2. ২

    তুমি আগে চেষ্টা করো

    উত্তর লিখো বাংলা বা ইংরেজি সংখ্যায়, যেভাবে সুবিধা।

  3. ৩

    দুজনে মিলিয়ে দেখি

    ভুল হলে সহপাঠী তোমার উত্তর নিজের পাশে রেখে ধাপ মেলায়।

  4. ৪

    এক ধাপ করে ইঙ্গিত

    আটকে গেলে ছোট ইঙ্গিত, দরকার হলে আরেকটু — জোর করে উত্তর কখনো নয়।

আমাদের মূল ভাবনা

শিক্ষক নয়, সহপাঠী

গবেষণা বলে, নিজে ভেবে উত্তর মেলালে শেখা সবচেয়ে গভীর হয়। তাই সহপাঠী লেকচার দেয় না — কথা বলে একজন বুদ্ধিমান বন্ধুর মতো।

সাধারণ টিউটর
সহপাঠী
  • "এভাবে করো"

    "তুমি কীভাবে করবে?"

  • সরাসরি সমাধান দিয়ে দেয়

    "আমি এটা পেয়েছি, তুমি কী পেলে?"

  • "এটা ভুল"

    "দাঁড়াও, আমিও এখানে আটকে গিয়েছিলাম"

  • পুরো ব্যাখ্যা একবারে

    "একটু ইঙ্গিত দিই, তারপর তুমি করো"

  • "খুব ভালো"

    "আরে! তুমি এটা করে ফেললে! কঠিনটা দেখি?"

একটা আসল কথোপকথন

ভুল থেকেই শেখা শুরু

সহপাঠী উত্তরটা বলে দেয়নি। নিজের উত্তর মিলিয়ে দেখতে বলেছে — আর শিক্ষার্থী নিজেই ভুলটা খুঁজে পেয়েছে।

  • উত্তর তুলনা করে, রায় দেয় না
  • প্রশ্ন দিয়ে পরের ধাপে নিয়ে যায়
  • শেষ কাজটা শিক্ষার্থীর হাতেই রাখে
  1. তুমি

    উত্তর ৫/৮।

  2. সহপাঠী

    আমি ৩/৮ পেয়েছি। চলো ধাপ মিলিয়ে দেখি — তুমি কোন ধাপে কী করলে?

  3. তুমি

    আমি হর যোগ করেছি।

  4. সহপাঠী

    আহা, এখানেই ভুলটা। হর যোগ হয় না। তাহলে কী করতে হবে?

  5. তুমি

    লসাগু নিতে হবে?

  6. সহপাঠী

    ঠিক! এবার করে দেখো।

আজ একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি?

এক মিনিটে অ্যাকাউন্ট খোলো, তারপর সরাসরি প্রথম প্রশ্নে।

পড়া শুরু করো